ভাটিঅঞ্চলের ইতিকথা

 ভাটিঅঞ্চলের ইতিকথা

দিগন্তজুড়া বিস্তৃত হাওর-বাঁওড়াঞ্চল নিয়েই প্রত্যন্ত এই ভাটিঅঞ্চলের নৈসর্গিক পরিবেশ বিরাজমান। ধূঁ-ধূঁ প্রান্তরের সীমানা নিয়েই বিচ্ছিন্ন একেকটি গাঁও-গেরাম  যেন পরস্পরের সঙ্গে হৃদয়ের একটা আত্মিক বন্ধনে চিরচেনা লোকগাঁথা কাব্যের মতোই বিনিসূঁতোর মালায় গাঁথা। সেই আদিলগ্ন থেকেই গ্রামবাংলার জনবসতি সাধারণত গড়ে উঠেছিল কিছুটা ভাটিরই উজানাঞ্চলের উঁচু জমি ঘিরেই। জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও জীবন-জীবিকার তাগিদেই ধীরে ধীরে প্রাকৃতিক সম্পদের এই ভান্ডার হাওর-বাঁওড়াঞ্চলের খেটে-খাওয়া মানুষদের নিয়েই জনবসতি গড়ে উঠে ক্রমে ক্রমেই।

এই গড়ে উঠা জনবসতির  মানুষের জীবন-জীবিকা, সংস্কৃতি, সামাজিকতা, গান-বাজনা, জীব-বৈচিত্র্যের বিস্ময়কার নান্দনিকতার বিরল মেলবন্ধন কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে এই বইটিতে।

 আটি পৃষ্ঠায় মুদ্রিত বইখানা তৃণলতা প্রকাশ থেকে ২০২২ সালে একুশে বইমেলায় প্রকাশ করা হয়। বইটির একমাত্র পরিবেশক অতিক্রম বাংলাবাজার, ঢাকা এবং সুরাইয়া চৌধুরী পাবলিকেশন্স এবং কলকাতা পরিবেশক-নয়া উদ্যোগ, ২০৬ বিধান স্মরণী, কলকাতা।

লেখক তাঁর পরম শ্রদ্ধেয় জন্মদাতা পিতা ও গর্ভধারিণী মা-কে উৎসর্গ করেছেন এই বইটি। নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ-বারহাট্টায় জন্মগ্রহণ করেন  লেখক শহীদুল হক বাদল। তাঁর প্রকাশিত বই সংখ্যা-০৯ট। ছড়ার বই দুইটি, কাব্যগ্রন্থ তিনটি, ছোটগল্প/অণুগল্প-একটি, প্রবন্ধ (বাংলার ইতিহাস) একটি, যৌথ কাব্যগ্রন্থ দুইটি।

লেখক বর্তমানে ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে হেড অব এইচ আর এন্ড এডমিন পদে কর্মরত।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন